
দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে ২৬ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ১২ হাজার ৩১৬ জন পরীক্ষার্থী। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ১২ হাজার ১৫০ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ভোকেশনাল পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ২ হাজার ৩৯৯ জন।
এদিন সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে বাংলা দ্বিতীয়পত্র, মাদ্রাসা বোর্ডে আরবি প্রথমপত্র এবং কারিগরি বোর্ডে ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২ হাজার ৪৮১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এসব বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১১ লাখ ১৮ হাজার ৭৬৪ জন, যার মধ্যে ১১ লাখ ৬ হাজার ৪৪৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। অনুপস্থিতির হার ছিল ১ দশমিক ১০ শতাংশ।
বোর্ডভিত্তিক হিসাবে ঢাকা বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ২ হাজার ৯৩৬ জন, রাজশাহীতে ১ হাজার ৭৩৬ জন, কুমিল্লায় ১ হাজার ৩৬৫ জন, যশোরে ১ হাজার ৪৮২ জন, চট্টগ্রামে ১ হাজার ২২ জন, সিলেটে ৭০৬ জন, বরিশালে ৯৮০ জন, দিনাজপুরে ১ হাজার ৩০১ জন এবং ময়মনসিংহে ৭৮৮ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ৫৩ হাজার ৮৮২ জন। এর মধ্যে ২ লাখ ৪১ হাজার ৭৩২ জন অংশগ্রহণ করে। অনুপস্থিতির হার ছিল ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ।
অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১ লাখ ২০ হাজার ১৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৬১ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। এ বোর্ডে অনুপস্থিতির হার ছিল ২ শতাংশ।
উল্লেখ্য, ২১ এপ্রিল শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা আগামী ২০ মে পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। লিখিত পরীক্ষা শেষে ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।





