
প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষের কাছে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা শুধু শহরের বিত্তবান মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে তাকে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা বলা যায় না।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট ‘ভবন-২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার লক্ষ্য কেবল অবকাঠামো ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ নয় বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ, সুশাসন এবং সময়োপযোগী নীতির সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সহজলভ্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন রোগীকে যেকোনো চিকিৎসার জন্য যেন প্রচুর অর্থ ব্যয় করে রাজধানীতে আসতে না হয়, সেজন্য সরকার ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও কার্যকর রেফারেল সিস্টেম গড়ে তুলছে।
চিকিৎসা সুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া, বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করা হচ্ছে।
শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘সুস্থ আগামী’ বিনির্মাণের লক্ষ্যে শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া আমাদের সকলের দায়িত্ব। আগামী অক্টোবর মাসেই খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লা জেলায় একটি করে মোট পাঁচটি ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল একযোগে চালু করতে সক্ষম হবে সরকার।





