
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ঘোষণা দিয়েছে—যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ *হরমুজ প্রণালি* সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হবে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়।
⚠️ **জাহাজ চলাচলে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা**
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগে ইরানি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও নির্ধারিত ফি দিয়ে যেসব জাহাজ চলাচল করত, সেই ব্যবস্থাও এখন বাতিল করা হয়েছে। আইআরজিসির নৌবাহিনী স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে—
👉 নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
🔥 **যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ**
ইরান এই অবরোধকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে। দেশটির শীর্ষ নেতারা বলছেন, পরিস্থিতি যেকোনো সময় আবার সংঘাতে রূপ নিতে পারে।
🗣️ **ইরানের শক্তির প্রদর্শন**
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ দাবি করেছেন—
✔️ ইরানি বাহিনী ১৮০টি ড্রোন
✔️ এবং একটি অত্যাধুনিক F-35 যুদ্ধবিমানে আঘাত হেনেছে
তিনি বলেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং উন্নত প্রযুক্তি ও সামরিক সক্ষমতার সমন্বিত প্রয়োগ।
🤝 **আলোচনায় অনিশ্চয়তা**
যুক্তরাষ্ট্র নতুন প্রস্তাব পাঠালেও তেহরান এখনো কোনো জবাব দেয়নি। ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে—
❌ অতিরিক্ত দাবি মানবে না
❌ দ্বিতীয় দফা আলোচনাতেও এখনো সম্মতি দেয়নি
🇺🇸 **ট্রাম্পের কঠোর বার্তা**
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, ইরান প্রণালি বন্ধ করে যুক্তরাষ্ট্রকে “ব্ল্যাকমেইল” করার চেষ্টা করছে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন—
👉 আলোচনা ব্যর্থ হলে যেকোনো মূল্যে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ন্ত্রণে নেয়া হবে।
❗ তবে তেহরান এই দাবিকে সরাসরি *অগ্রহণযোগ্য* বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
বিশ্ব বাণিজ্যের লাইফলাইন হরমুজ প্রণালি—এটি বন্ধ হলে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।





