
মোঃ আব্দুর রহিম খান (রোমান) ত্রিশাল প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার ৭নং হরিরামপুর ইউনিয়নের দরিদ্রদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ করার সময় ইউনিয়নের চাল বিতরণে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও চাল কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
১২ মার্চ ২০২৬, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে ত্রিশালের ৭নং হরিরামপুর ইউনিয়নের সাধারণ দরিদ্র মানুষদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ শুরু হয়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকৃত উপকারভোগীদের প্রাপ্য চাল থেকে প্রতিটি বস্তায় প্রায় ৪ থেকে ৫ কেজি করে কম দেওয়া হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, হরিরামপুর ইউনিয়নের মাগুরজোড়া গ্রামে চাল বিতরণের সময় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্টদের প্রভাবে বস্তা থেকে চাল আলাদা করে রাখা হচ্ছে। এতে করে গরিব মানুষের প্রাপ্য অধিকার থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে দাবি করেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে সাংবাদিকরা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আবুল কালামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এ বিষয়ে তার একার কিছু করার নেই, তিনি বলেন- “এখানে বড় বড় নেতারাও জড়িত, আমি চাইলেও অনেক কিছু বলতে পারি না, বস্তায় যতটুকু চাল থাকে আমরা ততটুকুই দিচ্ছি, এখানে আমার কোনো হাত নেই।”
অন্যদিকে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, খাদ্য অধিদপ্তর থেকেই চাল কম আসছে। এতে উপজেলা প্রশাসনের কিছু করার নেই। তিনি আরও জানান, খাদ্য অধিদপ্তরের প্রকৌশলী শেমল বলেছেন কিছু বস্তা ফাটা বা ছেঁড়া থাকার কারণে কিছু চাল কম হতে পারে।
তবে স্থানীয়রা এ বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন। তাদের দাবি, সচিব ও আনারুল নামে এক ব্যক্তি মিলে পরিকল্পিতভাবে এই কারসাজি করছেন।
এ বিষয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা শেমল সাংবাদিকদের জানান, “আমরা বস্তায় ঠিকঠাক পরিমাণেই চাল দিয়েছি, যদি কম হয়ে থাকে তাহলে বিতরণের সময় কোথাও সমস্যা হয়েছে।”
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—যদি প্রকৃতপক্ষে চাল কম দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে এর কে নেবে এবং তারা ন্যায়বিচারের জন্য কার কাছে যাবেন।





