
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম জিনারাই গ্রামে নিজ অর্থায়নে খাল খনন ও ড্রেন নির্মাণ করে প্রশংসিত হয়েছেন চৌদ্দশত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতাহার আলী। দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগ নিরসনে তাঁর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম জিনারাই গ্রামে একসময় একটি সরকারি খাল ছিল। সময়ের পরিক্রমায় বিভিন্ন প্রয়োজনে খালটি ভরাট হয়ে যায়। ফলে বর্ষা মৌসুমে কৃষিজমি ও আশপাশের বসতবাড়িতে পানি জমে ব্যাপক দুর্ভোগ সৃষ্টি হতো। বছরের পর বছর জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে পড়তেন কয়েকশ’ মানুষ।
এ অবস্থায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে চেয়ারম্যান মো. আতাহার আলী নিজ অর্থায়নে সামছুদ্দিনের বাড়ি থেকে কালিকুমারের বাড়ি পর্যন্ত খাল পুনঃখনন ও ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ নেন। বর্তমানে কাজ চলমান রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা কাজল মিয়া বলেন, “খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে প্রতিবছর বর্ষা এলেই প্রায় পাঁচ থেকে ছয়শ’ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ত। আমাদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে চেয়ারম্যান নিজ খরচে খাল খনন ও ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। এজন্য আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।”
আরেক বাসিন্দা ফরিদ মিয়া বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমরা জলাবদ্ধতার সমস্যায় ভুগছিলাম। বিষয়টি চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেন। তাঁর এই মানবিক উদ্যোগে গ্রামবাসী খুবই খুশি।”
চৌদ্দশত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতাহার আলী বলেন, “এই এলাকায় সরকারি একটি খাল ছিল, যা বহু বছর আগে ভরাট হয়ে যায়। ফলে বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৫ থেকে ৬ শতাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়তেন। জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে আমি নিজ অর্থায়নে খাল পুনঃখনন ও ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করেছি। পাশাপাশি মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচলের সুবিধার্থে এখানে একটি রাস্তা নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।”
স্থানীয়দের আশা, খাল খনন ও ড্রেন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হলে এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং কৃষি ও জনজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।





