
দেশে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে মূল্যস্ফীতি। গত মে মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে খাদ্যপণ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতেই মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
রোববার (৭ জুন) প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৩৮ শতাংশ।
খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে। মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ০৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এক মাসে এ হার বেড়েছে শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ।
অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিও বৃদ্ধি পেয়েছে। এপ্রিল মাসে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ, যা মে মাসে বেড়ে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশে পৌঁছেছে। অর্থাৎ খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ।
গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির চাপ তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে। মে মাসে গ্রামীণ এলাকায় সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ।
শহরাঞ্চলেও মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। মে মাসে শহরের সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ হয়েছে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৪ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদদের মতে, খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যয় বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার খরচ আরও বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলো মূল্যস্ফীতির এই চাপ সবচেয়ে বেশি অনুভব করছে।





