
কলকাতা থেকে দীপক ব্যানার্জি
তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। এমনটাই দাবি করেছেন বিএনপির শীর্ষ নেতা এবং তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর। তিনি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। তবে এই আমন্ত্রণ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষেরই নিশ্চিত বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।

নির্বাচনের ফল স্পষ্ট হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী মোদি সামাজিক মাধ্যমে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান। পরে ফোনেও কথা হয় বলে বিভিন্ন মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই যোগাযোগের সূত্র ধরে দুদেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত ছিল। হুমায়ুন কবীর বলেন, সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করতেই মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি জানান, মোদি উপস্থিত থাকবেন বলে তারা প্রত্যাশা করেন।
বিএনপির অবস্থান হলো ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এই অঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মতে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও প্রভাব বাড়াতে এ সম্পর্কের ভূমিকা বড়। আমন্ত্রণকে তারা শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্যের বার্তা হিসেবে দেখছেন বলে সাক্ষাৎকারে দাবি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে বিভিন্ন ইস্যুতে টানাপোড়েনের আলোচনা ছিল। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সম্পর্কের গতিপথ কী হবে, তা নিয়ে নানা বিশ্লেষণও চলছে। বিএনপি বলছে, স্থায়ী সরকার গঠিত হলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও স্বাভাবিক ও কার্যকর হতে পারে।
এদিকে তারেক রহমান কবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন, তা এখনও চূড়ান্ত নয়। সরকারি দফতরের সূত্রের খবর অনুযায়ী, ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে বলে আলোচনা আছে। তবে শপথের দিন-তারিখ সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা করা হয়নি।





