
নিজস্ব প্রতিবেদক
ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে নিয়োজিত তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণের জন্য দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
গতকাল বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন তিনি। প্রশিক্ষণ চলবে ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, দেশের অসহায়, দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা শতভাগ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিগুলোর একটি। ফ্যামিলি কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহে দল ও মতের কোনো প্রভাব থাকবে না। প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষিতদের সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে মাঠপর্যায়ে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ করে তথ্যভান্ডার তৈরি করতে হবে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক।’ এই ধারণাকে সামনে রেখে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি মাঠপর্যায়ে সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। কর্মসূচিটি চার বছর পর্যন্ত চলবে। সারা দেশে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই বাছাই অব্যাহত থাকবে এবং প্রতি দুই মাস পরপর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আগামী অক্টোবর থেকে সারা দেশে প্রায় ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। প্রকৃত উপকারভোগী শনাক্ত করতে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই বাছাইয়ের কাজে নিয়োজিতদের প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবেই এ আয়োজন।
তিনি বলেন, সঠিক তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে একটি সমন্বিত তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। একটি কার্ডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা গেলে একই ব্যক্তি একাধিক সুবিধা নেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পুনরাবৃত্তি বন্ধ করা সম্ভব হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের মানুষকে একটি নির্ভুল তথ্যভান্ডারের আওতায় আনা গেলে সরকারি সেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি পরিচালনা আরও সহজ ও কার্যকর হবে।





