মির নাদিয়া নিভিন : হার্ভার্ড থেকে জাতিসংঘ, নির্বাচন সংস্কার কমিশন থেকে এবার বাংলাদেশের বীমা খাতের নেতৃত্বে

Date:

spot_img

বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশের বীমা খাতে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ সাধারণত জাতীয় আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে না। ব্যাংক খাতে সংকট দেখা দিলে শিরোনাম হয়, শেয়ারবাজারে বড় উত্থান-পতন ঘটলে সংবাদ হয়, কিন্তু বীমা খাতের নেতৃত্ব পরিবর্তন বেশিরভাগ সময়ই সীমাবদ্ধ থাকে সংশ্লিষ্ট মহলের মধ্যে।

তবু গত ১৬ জুন সরকারের একটি সিদ্ধান্ত বীমা খাতের ভেতরে-বাইরে কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

মির নাদিয়া নিভিন

বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)-এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মীর নাদিয়া নিভিন।

কারণ তিনি শুধু আইডিআরএর প্রথম নারী চেয়ারম্যান নন। তার নিয়োগকে ব্যতিক্রমী করে তুলেছে তার পেশাগত পরিচয়।

বাংলাদেশে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর নেতৃত্বে সাধারণত ব্যাংকার, বীমা পেশাজীবী, আমলা বা আর্থিক খাতের অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের দেখা যায়। মীর নাদিয়া নিভিনের পথটি ভিন্ন।

তিনি মূলত একজন সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও ডিজিটাল রূপান্তর বিশেষজ্ঞ। কর্মজীবনের প্রায় দুই দশক কেটেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-তে। কাজ করেছেন বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারে। নির্বাচন ব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, প্রশাসনিক দক্ষতা, জবাবদিহিতা এবং রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি ছিল তার কাজের মূল ক্ষেত্র।

তবে বীমা খাতও তার কাছে সম্পূর্ণ নতুন নয়।

আইডিআরএর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অর্থাৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থার দায়িত্ব নেওয়ার আগে দেশের অন্যতম পুরোনো জীবনবীমা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কাঠামোর সঙ্গেও তার প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা ছিল।

এই দুই অভিজ্ঞতার সংযোগই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে।

একদিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুশাসন ও প্রতিষ্ঠান সংস্কারের অভিজ্ঞতা, অন্যদিকে দেশের বীমা খাতের বাস্তবতার সঙ্গে প্রত্যক্ষ পরিচয়।

প্রশ্ন হলো, এই সমন্বয় কি বাংলাদেশের বীমা খাতে নতুন কোনো পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে?

আস্থার সংকটে এক শিল্পখাত

পৃথিবীর যেকোনো দেশে বীমা শিল্পের সবচেয়ে বড় সম্পদ অর্থ নয়, আস্থা।

একজন মানুষ যখন জীবনবীমা করেন, তখন তিনি ভবিষ্যতের জন্য একটি প্রতিশ্রুতি কেনেন। কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যখন বীমা করে, তখন তারা অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে নিরাপত্তা খোঁজে। সেই প্রতিশ্রুতি ও নিরাপত্তার ভিত্তি হলো বিশ্বাস।

কিন্তু বিশ্বাসে চিড় ধরলে পুরো ব্যবস্থাটিই দুর্বল হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশের বীমা খাত গত কয়েক বছরে নানা কারণে আলোচনায় এসেছে। দাবি নিষ্পত্তিতে বিলম্ব, করপোরেট সুশাসনের প্রশ্ন, গ্রাহক অভিযোগ, প্রযুক্তিগত পিছিয়ে থাকা এবং বাজার সম্প্রসারণে সীমাবদ্ধতা নিয়ে বারবার আলোচনা হয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, দেশের অর্থনীতি যত দ্রুত বেড়েছে, বীমা খাত তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোতে পারেনি। অন্যদিকে খাতসংশ্লিষ্টদের একটি অংশ মনে করেন, শিল্পটির সম্ভাবনা এখনও বিশাল, কিন্তু সেই সম্ভাবনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন আস্থা ও সুশাসনের ভিত্তি আরও শক্ত করা।

এই বাস্তবতায় মীর নাদিয়া নিভিনের নিয়োগকে অনেকেই কেবল একজন চেয়ারম্যান পরিবর্তনের ঘটনা হিসেবে দেখছেন না। বরং এটি বীমা খাতের সমস্যাকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার একটি প্রচেষ্টা বলেও মনে করছেন।

কারণ তার পুরো কর্মজীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল একটি বিষয়—প্রতিষ্ঠানকে কীভাবে আরও কার্যকর, আরও স্বচ্ছ এবং আরও জবাবদিহিমূলক করা যায়।

কুয়েত থেকে হার্ভার্ড

মীর নাদিয়া নিভিনের জন্ম কুয়েতে। শৈশবের একটি অংশ কেটেছে মধ্যপ্রাচ্যের সেই দেশটিতে। পরে পরিবারের সঙ্গে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

এই অভিজ্ঞতা তাকে ছোটবেলা থেকেই দুটি ভিন্ন বাস্তবতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়—একদিকে আন্তর্জাতিক পরিবেশ, অন্যদিকে বাংলাদেশের সামাজিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতা।

উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান। ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, স্যাক্রামেন্টো থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে জনপ্রশাসন বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন।

হার্ভার্ডে তার অধ্যয়ন ছিল শুধু একাডেমিক অর্জন নয়; পরবর্তী কর্মজীবনের দিকনির্দেশনাও সেখানে তৈরি হয়। রাষ্ট্র, প্রতিষ্ঠান, জবাবদিহিতা এবং জনসেবার কার্যকারিতা—এই প্রশ্নগুলো তার পেশাগত আগ্রহের কেন্দ্রে চলে আসে।

পরবর্তী দুই দশকের কর্মজীবন মূলত সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার মধ্যেই কেটেছে।

জাতিসংঘের বছরগুলো: প্রতিষ্ঠান গড়ার পাঠ

২০০৭ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-তে যোগ দেওয়ার পর ধীরে ধীরে তার কাজের পরিধি আন্তর্জাতিক হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে তিনি নিউইয়র্কে ইউএনডিপির গ্লোবাল ইলেকশনস টিমে কাজ করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির নানা কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে বীমা খাতের সঙ্গে সম্পর্কহীন মনে হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে নির্বাচন কমিশন, সংসদ, নিয়ন্ত্রক সংস্থা কিংবা বীমা কর্তৃপক্ষ—সব প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের ভিত্তি একই। সেটি হলো আস্থা।

মানুষ যদি প্রতিষ্ঠানের ওপর আস্থা হারায়, তাহলে আইন, নীতিমালা কিংবা প্রযুক্তি একা কোনো পরিবর্তন আনতে পারে না।

এই উপলব্ধিই পরবর্তী সময়ে তার কর্মজীবনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।

আফগানিস্তানের পাঠ

আফগানিস্তানে দায়িত্ব পালন ছিল তার কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশে নির্বাচন ব্যবস্থা, সংসদীয় কার্যক্রম, সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় সরকার এবং নারী অংশগ্রহণ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তিনি কাছ থেকে দেখেছেন, প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়লে একটি রাষ্ট্র কতটা দুর্বল হয়ে পড়ে।

আফগানিস্তানে তিনি শুধু প্রকল্প পরিচালনা করেননি; দেখেছেন আস্থা হারানো মানুষকে আবার কীভাবে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করতে হয়।

পরবর্তীকালে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি বারবার বলেছেন, উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়; উন্নয়ন মানে প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর করা।

পাকিস্তান থেকে মালয়েশিয়া

পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের সাবেক ফাটা এবং খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে কাজ করেন তিনি। সেখানে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন এবং সামাজিক পুনর্গঠনমূলক কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এরপর আসে মালয়েশিয়া অধ্যায়।

সেখানে তিনি নির্বাচন কমিশন, সংসদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিভিন্ন সংস্কার কর্মসূচি এবং দুর্নীতিবিরোধী উদ্যোগের সঙ্গে কাজ করেন। একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নেও ভূমিকা রাখেন।

মালয়েশিয়ায় কাজ করতে গিয়ে তিনি দেখেছেন, একটি দেশ কীভাবে প্রশাসনিক সংস্কার, প্রযুক্তি এবং জবাবদিহিতার সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠানকে আরও কার্যকর করার চেষ্টা করে।

আজ যখন বাংলাদেশের বীমা খাতে ডিজিটাল রূপান্তর ও সুশাসনের প্রশ্ন সামনে আসছে, তখন সেই অভিজ্ঞতাগুলো নতুন গুরুত্ব পাচ্ছে।

ডিজিটাল রূপান্তরের অভিজ্ঞতা

২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে তিনি ইউএনডিপির স্ট্র্যাটেজিক ম্যানেজমেন্ট ইউনিট এবং ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন।

এই সময়ে তার কাজের মূল লক্ষ্য ছিল প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে আরও দক্ষ ও স্বচ্ছ করা।

বিশ্বব্যাপী আর্থিক খাত দ্রুত ডিজিটাল হচ্ছে। বীমা শিল্পও এর বাইরে নয়। অনলাইন পলিসি, ডিজিটাল ক্লেইমস ম্যানেজমেন্ট এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এখন আধুনিক বীমা ব্যবস্থার অংশ।

তাই ডিজিটাল রূপান্তরে তার অভিজ্ঞতাকে অনেকেই আইডিআরএর জন্য একটি বাড়তি শক্তি হিসেবে দেখছেন।

নির্বাচন সংস্কার কমিশন: দেশে ফেরার নতুন অধ্যায়

দীর্ঘ আন্তর্জাতিক কর্মজীবনের পর বাংলাদেশের জনপরিসরে মীর নাদিয়া নিভিনের নাম নতুন করে আলোচনায় আসে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত এই কমিশনের দায়িত্ব ছিল দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের সুপারিশ করা।

এই সময় তার বিভিন্ন মতামত ও লেখায় একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে—তিনি বিশ্বাস করেন শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

তার মতে, ব্যক্তি নয়; প্রতিষ্ঠানই রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি শক্তির উৎস।

আইডিআরএর সামনে পাঁচ বড় চ্যালেঞ্জ

মীর নাদিয়া নিভিনের নিয়োগ নিয়ে যত আলোচনা, তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো—তার সামনে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে?

প্রথমত, বীমা খাতে জনআস্থা ফিরিয়ে আনা। দ্বিতীয়ত, করপোরেট সুশাসন আরও শক্তিশালী করা। তৃতীয়ত, ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করা। চতুর্থত, গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এবং পঞ্চমত, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আধুনিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

এই পাঁচটি ক্ষেত্রেই আইডিআরএর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। আর এই পাঁচটি ক্ষেত্রই মীর নাদিয়া নিভিনের পূর্ববর্তী কর্মজীবনের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে সম্পর্কিত।

শেষ প্রশ্ন

মীর নাদিয়া নিভিনের নিয়োগকে কেউ দেখছেন নতুন মুখ হিসেবে, কেউ দেখছেন নতুন চিন্তার প্রতীক হিসেবে।

তবে একটি বিষয় স্পষ্ট।

সরকার বীমা খাতের সমস্যাকে শুধু ব্যবসায়িক সমস্যা হিসেবে দেখছে না। এটিকে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, সুশাসন এবং জনআস্থার প্রশ্ন হিসেবেও বিবেচনা করছে।

সেই কারণেই হয়তো একজন প্রচলিত বীমা নির্বাহীর পরিবর্তে একজন সুশাসন ও সংস্কার বিশেষজ্ঞকে আইডিআরএর নেতৃত্বে আনা হয়েছে।

তার জীবনবৃত্তান্ত নিঃসন্দেহে সমৃদ্ধ। হার্ভার্ডের শিক্ষা, জাতিসংঘে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, আফগানিস্তান থেকে মালয়েশিয়া পর্যন্ত নানা দেশের প্রশাসনিক সংস্কার কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা—সব মিলিয়ে তিনি একটি ভিন্নধর্মী প্রেক্ষাপট নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার সাফল্যের মাপকাঠি হবে অন্য জায়গায়।

বাংলাদেশের বীমা খাতে তিনি কতটা আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারলেন, প্রতিষ্ঠানকে কতটা কার্যকর করতে পারলেন এবং সাধারণ গ্রাহক কতটা পরিবর্তন অনুভব করলেন—ইতিহাসের বিচারে সেটিই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

আর সেই প্রশ্নের উত্তরই নির্ধারণ করবে, আইডিআরএতে একজন সুশাসন বিশেষজ্ঞকে আনার সিদ্ধান্ত কতটা সফল ছিল।

spot_img

Share post:

ইপেপার

জনপ্রিয়

More like this
Related

খুলনায় টাইগার গার্ডেন হোটেলে এসি বিস্ফোরণে আগুন, পুড়ে গেছে কক্ষের সব মালামাল

এম রোমানিয়া, খুলনা ব্যুরো খুলনায় নগরীর শিববাড়ি মোড়ের টাইগার গার্ডেন...

বলিভিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ১০

বলিভিয়ায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ১০ জন...

বাবার চাকুরির জন্য সন্তানের মানববন্ধন

দিনাজপুর প্রতিনিধি বাবার চাকরি ফিরে পাওয়ার আশায় মধ্যপাড়া গ্রানাইট...

ছিটকিনি লাগানোকে কেন্দ্র করে ববিতে দফায় দফায় সংঘর্ষ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি 
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সংলগ্ন একটি মেসের...