
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধে চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শনিবার (২৩ মে) তিনি জানান, খুব শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।
ইরানি কর্মকর্তারাও নিশ্চিত করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে তেহরান।
ট্রাম্প বলেন, সম্ভাব্য চুক্তির আওতায় খুলে দেওয়া হবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ হয় এই পথ দিয়ে। গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর শুরু হওয়া ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরান প্রণালিটি বন্ধ করে দেয়।
তবে হরমুজ ইস্যুতে ট্রাম্পের বক্তব্যকে “অপূর্ণাঙ্গ ও অবাস্তব” বলে মন্তব্য করেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের একটি সূত্র। ফার্স নিউজকে তারা জানিয়েছে, হরমুজ এখনো ইরানের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।
অন্যদিকে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হলে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হতে পারে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র তুলে নেবে তাদের নৌ-অবরোধ। এছাড়া জাহাজ চলাচলে কোনো টোল বা ফি নেবে না ইরান।
চুক্তির আওতায় লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ও রয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি ইরানের জব্দ করা অর্থের মধ্যে ২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড় দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে আলোচনায় ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়ামের বিষয়টি নেই বলেও জানিয়েছে তেহরান।
টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান আলোচনা থেকে ইসরায়েলকে অনেকটাই দূরে রেখেছেন ট্রাম্প। সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
এরই মধ্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মিসর ও পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন ট্রাম্প। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বেশিরভাগ নেতাই তাকে চুক্তি গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন।





