
মুখপাত্র ডেস্ক
বলা বাহুল্য, প্রতিবেশী বাংলাদেশে হাসিনাবিহীন নির্বাচনকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছিল ভারত
নির্বাচনের আগ পর্যন্ত ঢাকা-দিল্লির দূরত্ব যত বেশি মনে হয়েছিল এখন ঠিক যেন ততটা নেই।
সব আশঙ্কা দূর করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে বিতাড়িত হয়ে ভারতে পালান শেখ হাসিনা। এখনো তিনি সেখানেই ভারত সরকারের নিরাপত্তায় আছেন।
ভারতে থেকে হাসিনা যখন বাংলাদেশের ভোট নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করে চলেছেন তখন দিল্লি দেখাচ্ছে ভিন্ন রূপ।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত বিএনপি বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পরপরই পলাতক হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দলপ্রধান তারেক রহমানকে ইংরেজি ও বাংলায় দুইটি পৃথক বার্তা দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
তারেক রহমানকে বাংলায় অভিনন্দন জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপিকে নির্ণায়ক বিজয়ের অভিমুখে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জনাব তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।’
তিনি আরও লিখেন, ‘এই ফলাফল আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন।’
এরপর নরেন্দ্র মোদি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।
গতকাল শুক্রবার সমাজমাধ্যম এক্সে পোস্ট করে তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মোদি।
বার্তায় তিনি বলেন, ‘জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলতে পেরে আনন্দিত। আমি তাকে বাংলাদেশের নির্বাচনে অভাবনীয় বিজয় অর্জনের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি।’
‘বাংলাদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে তার উদ্যোগের প্রতি শুভকামনা ও সমর্থন জানিয়েছি,’ যোগ করেন মোদি।
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ‘দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী দেশের মধ্যে আছে শক্তিশালী ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক। আমি উভয় দেশের মানুষের শান্তি, উন্নয়ন ও মঙ্গলের প্রতি ভারতের অঙ্গীকারের বিষয়টি আবারও নিশ্চিত করেছি।’
শুক্রবার ঘোষিত ফলাফল অনুসারে, বিএনপি ও তার মিত্ররা পেয়েছে ২১২টি আসন।
অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য পেয়েছে ৭৭টি আসন। এর বাইরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি ও স্বতন্ত্ররা পেয়েছে ৭টি আসন।





