
বিশেষ প্রতিনিধি
নারী ভোটারদের টানতে ধর্মকে অস্ত্র করছে জামায়াত ও বিএনপি।
তৃণমূলের মাঠে এমন অভিযোগ উঠেছে দুদলের বিরুদ্ধেই। নোয়াখালীর পাঁচ আসনে প্রচারণায় এর নানা চিত্র দেখা গেছে।
জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা দুপুরে বাড়ি বাড়ি যান। তারা প্রার্থীর পক্ষে ভোট চান। কোথাও গণভোটের কথাও বলেন। বিএনপির অভিযোগ, তালিমের নামে আগে থেকেই নারীদের জড়ো করে প্রচারণা চালানো হয়েছে। বিকাশ নম্বর ও এনআইডি নম্বর চাওয়ার কথাও বলা হয়। জামায়াত এসব অস্বীকার করেছে।
জামায়াতের এক স্থানীয় নারী কর্মী বলেন, তালিম বন্ধ করা হয়েছে। এখন তারা সরাসরি প্রচারণায় নামছেন। তিনি দাবি করেন, তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
বিএনপির নারী কর্মীরাও বাড়ি বাড়ি প্রচারণা করছেন। তারা প্রতীকের কথা বলেন। নানা আশ্বাস দেন। ক্যামেরায় ধরা পড়েছে, কোথাও নারীদের কাছে ভোট দেওয়ার ওয়াদা চাওয়া হচ্ছে। তৃণমূলের এক নেতা স্ত্রীর ভোট নিয়ন্ত্রণের কথা বলে ধর্মের ভয় দেখানোর ভাষাও ব্যবহার করেছেন।
জামায়াত বলছে, প্রচারণায় বাধা পাচ্ছেন তারা। উঠান বৈঠক ঘিরে হাতাহাতির অভিযোগও করেছে দলটি। বিএনপির স্থানীয় নেতারা অভিযোগ মানেননি। পরে আলোচনায় বিষয়টি মিটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তৃণমূলের নারী ভোটাররা আশ্বাস শুনছেন। কিন্তু অনেকেই নিশ্চিত নন। গণভোটে হ্যাঁ না কীভাবে দেবেন, সেটাও অনেকের কাছে পরিষ্কার নয়। আর বেহেস্তে যাওয়া যাবে কি যাওয়া যাবে না সেটাও নিশ্চিত নয় তারা। তাদের চাওয়া রাস্তা, নিরাপত্তা, স্বস্তির জীবন। কিন্তু মাঠের প্রচারণায় প্রধান অস্ত্র হয়ে উঠছে ধর্ম আর ভয়।





