
নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা
রূপসায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত মো. মামুন মীর (৩৫) অবশেষে মারা গেছেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে ৩২ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ের পর সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
নিহত মামুন মীর রূপসা উপজেলার বাগমারা এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার নেয়ামত মীরের বড় ছেলে।
গত ১৮ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টা থেকে পৌনে ১০টার মধ্যে রূপসার নৈহাটী ইউনিয়নের আবু সালেহীন প্রতিবন্ধী স্কুলের সামনে মামুনকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রের ভাষ্য, ঘটনার আগে দুই ব্যক্তি মামুনকে তুলে ওই এলাকায় নিয়ে যায়। পরে স্কুলের সামনে তাকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়।
গুলিতে মামুনের চোখ ও মাথায় আঘাত লাগে বলে জানা গেছে। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করেন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় দীর্ঘ ৩২ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেন মামুন। শেষ পর্যন্ত সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
মামুনের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পরিবার, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
তবে কেন মামুনকে তুলে নিয়ে গুলি করা হয়েছিল, কারা এ হামলার সঙ্গে জড়িত এবং হামলার নেপথ্যে কী ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। নিহতের স্বজনদের দাবি, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করে হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে হবে।
স্থানীয়দেরও দাবি, ৩২ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ের পর মামুনের মৃত্যুতে ঘটনাটি আরও গুরুতর রূপ নিয়েছে। হামলার কারণ উদ্ঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত এবং দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।





