
মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বনগাঁও গ্রামের মো. খাইরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে পায়ের গুরুতর ক্ষত ও পচনে অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করছেন। প্রায় দুই বছর আগে শিং মাছের কাঁটা পায়ে বিঁধে ক্ষত সৃষ্টি হওয়ার পর ধীরে ধীরে তা গুরুতর আকার ধারণ করে। বর্তমানে তাঁর পায়ের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছে পরিবার।
পরিবারের ভাষ্য, প্রায় এক বছর আগে মধ্যনগর উপজেলার তৎকালীন ইউএনও উজ্জ্বল রায় ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় খাইরুলের পায়ে অস্ত্রোপচারসহ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। চিকিৎসার পর প্রায় ছয় মাস তিনি তুলনামূলকভাবে ভালো ছিলেন। এরপর আবারও তাঁর পায়ে ক্ষত ও পচন দেখা দেয়।
বর্তমানে খাইরুলের পায়ের ক্ষত থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। প্রচণ্ড ব্যথায় তিনি কাতরাচ্ছেন। পরিবারের দাবি, ব্যথা নিয়ন্ত্রণে প্রায় প্রতিদিন ১০টি করে ব্যথার ইনজেকশন দিতে হচ্ছে। তবে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধসহ চিকিৎসার অন্যান্য ব্যয় বহন করার মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই পরিবারের।
ছেলের চিকিৎসায় মায়ের আকুতি
ছেলের এমন অসহায় অবস্থায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন খাইরুলের মা। চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে তিনি মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। কিন্তু পরিবারের আর্থিক সংকটের কারণে খাইরুলের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
খাইরুলের চিকিৎসা পুনরায় শুরু করতে সমাজের বিত্তবান, সামর্থ্যবান ও হৃদয়বান মানুষের কাছে মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে তাঁর পরিবার। তাঁদের প্রত্যাশা, সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা পেলে খাইরুলের চিকিৎসা আবারও শুরু করা সম্ভব হবে।
উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা
খাইরুলের অসহায় পরিস্থিতিতে পরিবারের পক্ষ থেকে মধ্যনগর উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদেরও তাঁর চিকিৎসায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে পরিবার।
পরিবারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, কেউ আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতে না পারলেও সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে অন্যদের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন। একটি শেয়ারও হয়তো কোনো সহৃদয় মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে খাইরুলের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারে।
সহায়তার জন্য পরিবারের দেওয়া বিকাশ নম্বর:
০১৯৯৬৭২৩৭৭৯





