
ডলারের মূল্য কমে যাওয়া এবং আগামী মাসে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে—এমন প্রত্যাশা জোরালো হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পেছনে মূলত দুর্বল ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশাকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্যাক্সো ব্যাংকের কমোডিটি স্ট্র্যাটেজির প্রধান ওলে হ্যানসেন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, মুদ্রাস্ফীতি ও কর্মসংস্থানের তথ্য প্রত্যাশার মতো ইতিবাচক না হওয়ায় সুদের হার বাড়ার ঝুঁকি কমছে। ফলে ফেডারেল রিজার্ভ পরবর্তী সময়ে সুদের হার কমাতে পারে—এমন সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে।
তিনি বলেন, সম্প্রতি ডলার শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও এখন তা নিম্নমুখী হওয়ার লক্ষণ দেখাচ্ছে। এতে স্বর্ণের বাজার আরও চাঙা হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে রুপার দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৫ দশমিক ৬১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৭৫৯ দশমিক ৭২ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৩৩৩ দশমিক ২৫ ডলারে উঠেছে।
দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম বর্তমানে বেশ উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকায়।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা।
বিশ্ববাজারে ডলারের গতিপথ ও যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রানীতি স্বর্ণের দামের ওপর আগামী দিনগুলোতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।





