আলমুতাছিম বিল্লাহ সবুজ, সাতক্ষীরা
শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা। শুক্রবার দুপুর ১টা ৫৩ মিনিটে অনুভূত এই কম্পনের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.৩। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরা থেকে মাত্র ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে আশাশুনি এলাকায়, যার গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার।আজ শুক্রবার দুপুর ৫ দশমিক ৩ মাত্র যে ভূমিকম্প সংগঠিত হয়েছে তার কারণে সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাড়ি-ঘর ও স্কুল-কলজে-মসজিদ এর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ছবি সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে।
শুক্রবার জুমার নামাজ শেষ হওয়ার পরপরই হঠাৎ তীব্র ঝাঁকুনিতে জেলাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই কম্পন এতটাই শক্তিশালী ছিল যে মানুষ ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ছেড়ে দ্রুত রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। বিশেষ করে মসজিদের মুসল্লিদের মধ্যে চরম আতঙ্ক দেখা দেয়। ভূমিকম্পের প্রভাবে জেলার বিভিন্ন স্থানে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের বাজেবাড়ী এলাকায় একটি মাটির ঘরের ছাদ ধসে পড়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া অনেক পুরনো ভবনে ফাটল দেখা দেওয়ার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। কলারোয়া পৌর সদরের বাসিন্দা মিনারা খাতুন জানান, কম্পন শুরু হওয়া মাত্রই তিনি শিশুকে কোলে নিয়ে প্রাণভয়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।
অন্যদিকে, শহরের মিনা বাজারের ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম জানান, দোকানে কাজ করার সময় তীব্র ঝাঁকুনিতে আসবাবপত্র নড়তে শুরু করলে তিনি দ্রুত রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।
সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন জানান, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল আশাশুনি এলাকায়। ৫.৩ মাত্রার এই ভূমিকম্পের পর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো মাঠ পর্যায়ে খোঁজখবর নিচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: দিলীপ কুমার আগরওয়ালা।
প্রধান সম্পাদক : আলী কদর পলাশ।
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক গোল্ড প্যালেস, ০৩ বেইলী রোড (১০ নাটক স্মরণী) ঢাকা-১২০৭ থেকে প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি টয়েনবি সার্কুলার রোড মতিঝিল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। যোগাযোগ করুন : মো. সাইফুল ইসলাম, ফোন: ০১৭৩৩৪৩৭৫৯৬ অথবা ০৯৬৯৬৪৩৭৫৯৬