সচিবালয় থেকে আলী আহসান রবি
স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার না থাকলে নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াতে প্রধান বিচারপতি কিংবা প্রধান নির্বাচন কমিশনারও দায়িত্ব নিতে পারেন। এমনটাই জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ। তিনি বলেছেন, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই পড়াবেন।
শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ২৯৭ আসনের ফল ঘোষণায় বিএনপি ২০৯ আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮ আসন।
নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ শুক্রবার রাতে নির্বাচিত ২৯৭ জনের গেজেট প্রকাশ করেন।
তবে শপথ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী মামলার আসামি হয়ে আত্মগোপনে রয়েছেন। ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু মামলার আসামি হয়ে কারাগারে। ফলে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ কে পড়াবেন, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গেজেট প্রকাশ হয়ে গেছে। আইন অনুযায়ী তিন দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণের সময় রয়েছে। তিনি জানান, এই সময় আগামীকাল থেকে শুরু হয়ে ১৭ তারিখের মধ্যে শেষ হবে।
শপথের পরের ধাপও তুলে ধরেন তিনি। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের সংসদীয় নেতা নির্বাচন করবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা রাষ্ট্রপতিকে জানাবেন তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা। এরপর রাষ্ট্রপতি নিয়ম অনুযায়ী তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন বা নিয়োগের প্রস্তাব দেবেন। তারপর সুবিধাজনক সময়ে শপথ আয়োজন হবে। তিনি বলেন, আশা করা যাচ্ছে তিন দিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে শপথ সম্পন্ন হবে।
শপথের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, আগামীকাল বা পরশু হলে প্রস্তুতি আছে। আবার তিন দিন পর হলে সেটারও প্রস্তুতি রয়েছে।
এমপিদের শপথ কে পড়াবেন এ প্রশ্নে তিনি বলেন, “এটা দেখেন সংসদ সচিবালয়।”
তবে তিনি জানান, বিভিন্ন বিকল্প আছে। স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার কিংবা তাদের মনোনীত কেউ শপথ পড়াতে পারেন। মনোনয়ন সম্ভব না হলে সরকার থেকেও মনোনয়নের ব্যবস্থা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনারও শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন বা শপথ পাঠ করাতে পারেন।
আর মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই মন্ত্রিপরিষদের শপথ পড়াবেন।
শপথ অনুষ্ঠানে অতিথি সংখ্যা প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রায় এক হাজার অতিথি থাকতে পারেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: দিলীপ কুমার আগরওয়ালা।
প্রধান সম্পাদক : আলী কদর পলাশ।
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক গোল্ড প্যালেস, ০৩ বেইলী রোড (১০ নাটক স্মরণী) ঢাকা-১২০৭ থেকে প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি টয়েনবি সার্কুলার রোড মতিঝিল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। যোগাযোগ করুন : মো. সাইফুল ইসলাম, ফোন: ০১৭৩৩৪৩৭৫৯৬ অথবা ০৯৬৯৬৪৩৭৫৯৬