
কাশিয়ানী প্রতিনিধি
শরতের নীল আকাশে আগমনী সুর। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা জুড়ে এখন সাজ সাজ রব। প্রতিমা তৈরিতে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা।
দেবী দুর্গার সঙ্গে শিব, কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী, সরস্বতী, মহিষাসুর ও তাদের বাহন নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। মাটির কাজ শেষে এখন চলছে রং-তুলির আঁচড়। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এবার কাশিয়ানী উপজেলার ২২৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
পঞ্জিকা মতে, এবার ১০ অক্টোবর শনিবার মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হবে। ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর বোধনের মধ্য দিয়ে মূল পূজা শুরু হয়ে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।
শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এই উৎসবকে ঘিরে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে স্থানীয় অর্থনীতিও। মৃৎশিল্পী, ঢাকি, আলোকসজ্জা শিল্পী, পোশাক ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মধ্যে বেড়েছে ব্যস্ততা।
মৃৎশিল্পী মঙ্গল বিশ্বাস জানান, "প্রতি বছরের মতো এবারও বেশ কিছু কাজ পেয়েছি। তবে কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা চাপ রয়েছে। তবুও পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা করছি।"
আরেক মৃৎশিল্পী নিখিল ঘোষ বলেন, "প্রতিমা তৈরির সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং কাজ হলো মুখ তৈরি করা। সময়মতো কাজ শেষ করতে অনেক সময় রাতেও কাজ করতে হয়।"
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কাশিয়ানী উপজেলা শাখার নেতারা বলেন, "এ বছর বেশ সুন্দরভাবেই মণ্ডপগুলোতে প্রস্তুতি চলছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তার বিষয়ে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। প্রতিটি মন্দিরে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবে।"
সম্পাদক ও প্রকাশক: দিলীপ কুমার আগরওয়ালা।
প্রধান সম্পাদক : আলী কদর পলাশ।
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক গোল্ড প্যালেস, ০৩ বেইলী রোড (১০ নাটক স্মরণী) ঢাকা-১২০৭ থেকে প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি টয়েনবি সার্কুলার রোড মতিঝিল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। নিউজ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে যোগাযোগ করুন : মো. সাইফুল ইসলাম, ফোন: ০১৭৩৩৪৩৭৫৯৬ অথবা ০৯৬৯৬৪৩৭৫৯৬