মহিউদ্দিন সরকার, নেত্রকোনা প্রতিনিধি
গানকে শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, মানুষের শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা ও মূল্যবোধ তৈরির হাতিয়ার হিসেবে দেখেন মিউজিকে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিল্পী দিলবাহার খান দিলু। শৈশব থেকেই সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগ নিয়ে শুরু করা তাঁর দীর্ঘ সাধনা তাঁকে আজ বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠিত শিল্পীর মর্যাদায় পৌঁছে দিয়েছে।
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার কান্দিউড়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মণজাত গ্রামের কৃতি সন্তান দিলবাহার খান ১৯৬৪ সালের ৩ জানুয়ারি মদনের ফতেপুর গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা আব্দুস সামাদ খান ছিলেন শিক্ষক ও সংগীতপ্রেমী। বাবার কাছেই সংগীতে তাঁর প্রাথমিক হাতেখড়ি।
২০০১ সালে বাংলাদেশ বেতারের পল্লীগীতি বিভাগে ‘গ’ শ্রেণির শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন দিলবাহার খান। পরবর্তীতে দক্ষতা ও সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ বেতারের বিশেষ শ্রেণির শিল্পী এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম শ্রেণির ‘ক’ শাখার শিল্পী হিসেবে নিয়মিত সংগীত পরিবেশন করছেন তিনি।
সংগীতজীবনে তিনি মলয় কুমার গাঙ্গুলী, ড. হারুন অর রশিদ, সোহরাব হোসেন, স্বাধীন দাসসহ দেশের কয়েকজন গুণী শিল্পী ও ওস্তাদের কাছে তালিম নিয়েছেন। ২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষে নজরুল ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি থেকে মিউজিকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।
‘কি মোবাইল বানাইছো দয়াল’, ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’, ‘কত রঙের খেলছো খেলা’ ও ‘সিডর না হয় আইলা’সহ তাঁর বেশ কিছু গান শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
সংগীতের পাশাপাশি সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন তিনি। বর্তমানে কেন্দুয়া লোকজ সাহিত্য আসরের সদস্য এবং কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিল্পীদের উদ্দেশে দিলবাহার খান দিলু বলেন, “বাউল গানে বর্তমানে এক ধরনের অশনি সংকেত চলছে। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে সুস্থ ধারার সাধকদের মহাজনী গান পরিবেশনের জন্য বাউল শিল্পীদের প্রতি আহবান জনান।
সম্পাদক ও প্রকাশক: দিলীপ কুমার আগরওয়ালা।
প্রধান সম্পাদক : আলী কদর পলাশ।
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক গোল্ড প্যালেস, ০৩ বেইলী রোড (১০ নাটক স্মরণী) ঢাকা-১২০৭ থেকে প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি টয়েনবি সার্কুলার রোড মতিঝিল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। যোগাযোগ করুন : মো. সাইফুল ইসলাম, ফোন: ০১৭৩৩৪৩৭৫৯৬ অথবা ০৯৬৯৬৪৩৭৫৯৬