মুর্শিদুল ইসলাম খান, বাগেরহাট প্রতিনিধি
দুর্যোগকালীন সময়ে আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনাকে আরও জেন্ডার সংবেদনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার লক্ষ্যে বাগেরহাটে এক যুব সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) শহরের ধানসিঁড়ি হোটেলের সম্মেলন কক্ষে ‘উপজেলা পর্যায়েন জেন্ডার-সংবেদনশীল দুর্যোগকালীন আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা ও স্ট্যান্ডিং অর্ডার অন ডিজাস্টার বাস্তবায়ন নিয়ে যুব সংলাপ” শীর্ষক এ সংলাপের আয়োজন করা হয়।
বাগেরহাট ও রামপাল অ্যাক্টিভিস্টা‘র আয়োজনে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ ও বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতা য় সংলাপে উপজেলা পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় স্ট্যান্ডিং অর্ডার অন ডিজাস্টার বাস্তবায়ন, আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনায় নারী, শিশু, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যুবসমাজের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান।
বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক এএসএম মঞ্জুরুল হাসান মিলনের সভাপতিত্বে এসময় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী হাসিব শেখ, গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এস এম সারজিল হাসান, পিআইও অফিসের প্রতিনিধি মো. শাহিন খান, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সহসভাপতি এস এম রাজ, কাড়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সিরাজ শেখ, শীল চন্দ্র দাস মো. জাহাঙ্গীর আলম বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে দুর্যোগের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। তাই দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়নের পাশাপাশি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য আরও নিরাপদ ও জেন্ডার সংবেদনশীল করে গড়ে তুলতে হবে।
যুবরা বলেন, রামপাল উপজেলার পেড়িখালী ইউনিয়নের সিঙ্গারবুনিয়া ও রমজয়পুর এলাকায় পরিচালিত মাঠ পর্যায়ের জরিপে দেখা গেছে, সেখানে কোনো স্থায়ী সাইক্লোন শেল্টার নেই। বিদ্যমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে পর্যাপ্ত নয়। নারী, শিশু, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায় দুর্যোগকালে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়েন। পাশাপাশি নদীভাঙন, ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা, সীমিত স্বাস্থ্যসেবা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির অকার্যকারিতাও এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বাড়াচ্ছে।
এ সময় বক্তারা দুর্যোগ প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনায় যুবসমাজকে আরও সম্পৃক্ত করা, স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার এবং সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সংলাপে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, যুব প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: দিলীপ কুমার আগরওয়ালা।
প্রধান সম্পাদক : আলী কদর পলাশ।
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক গোল্ড প্যালেস, ০৩ বেইলী রোড (১০ নাটক স্মরণী) ঢাকা-১২০৭ থেকে প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি টয়েনবি সার্কুলার রোড মতিঝিল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। যোগাযোগ করুন : মো. সাইফুল ইসলাম, ফোন: ০১৭৩৩৪৩৭৫৯৬ অথবা ০৯৬৯৬৪৩৭৫৯৬