গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ডৌবাড়ী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের গৌরীপুর( লংপুর)এলাকায় নদী ভাংঙ্গন দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু স্থাপনা, বসতভিটা, গাছপালা সহ লংপুর গ্রামের যাওয়ার একমাত্র রাস্তা কাপনা নদীর ভাংঙ্গনে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের ভয়াবহতায় এলাকাবাসী দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, কাপনা নদীর উপর মানিকগঞ্জ ব্রীজ হইতে গৌরীপুর গ্রামের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৪০০ মিটার জায়গা নদী ভাংঙ্গনের সৃষ্টি হওয়ায় লংপুর গ্রামের জনসাধারণের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করে থাকে।
স্থানীয়রা জানান, ভাংঙ্গন রোধে সরকারি ভাবে কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নদী ভাঙ্গন রোধ করা না গেলে গৌরীপুর গ্রামটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। গ্রামের পূর্ব পাশ দিয়ে পাশ্ববর্তী লংপুর গ্রামের যাওয়ার রাস্তাটিতে ভাংঙ্গন সৃষ্টি হওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হওয়ার পথে। চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটি নদী গর্ভে একেবারে বিলীন হতে পারে। নদী ভাঙ্গন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
গৌরীপুর গ্রামের বিরেন্দ্র বিশ্বাস বলেন,আমাদের গ্রামে ২০০ টির বেশি পরিবার রয়েছে। আমরা সবাই হিন্দু ধর্মের লোক। দ্রুত ভাংঙ্গন রোধে ব্যবস্থা না নিলে পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে গ্রামটি একেবারে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। দ্রুত গ্রামটি রক্ষার জন্য উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেট এর উপ সহকারি প্রকৌশলী মোঃ হাসান পারভেজ রিয়াদ বলেন, ইতিমধ্যে আমরা গৌরপুর গ্রামের নদী ভাঙ্গনের স্থান পরিদর্শন করেছি।স্থানটিতে কাজের জন্য আগামী বাজেট চাহিদায় প্রস্তাবনা পাঠানো হবে। অর্থ বরাদ্দ হলেই কাজ শুরু হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: দিলীপ কুমার আগরওয়ালা।
প্রধান সম্পাদক : আলী কদর পলাশ।
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক গোল্ড প্যালেস, ০৩ বেইলী রোড (১০ নাটক স্মরণী) ঢাকা-১২০৭ থেকে প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি টয়েনবি সার্কুলার রোড মতিঝিল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। যোগাযোগ করুন : মো. সাইফুল ইসলাম, ফোন: ০১৭৩৩৪৩৭৫৯৬ অথবা ০৯৬৯৬৪৩৭৫৯৬