
দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের ১৩ টি উপজেলায় পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার নিষিদ্ধ ও আইন পাশ করলেও তা অমান্য করা হচ্ছে। দিনাজপুর ১৩ টি উপজেলার সকল হাট-বাজারে ব্যাপক পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার হচ্ছে। দিনাজপুর জেলার ১৩ টি উপজেলার প্রায় ২৫ লাখ ছোট খাটো এবং বড় মুদিখানা ব্যবসায়ীরা এই ব্যবসা করছেন। তারা রীতি মতো পলিথিনে মালামাল বিক্রি করছেন । এ সমস্ত ব্যাগের অধিকাংশ হাতল বিহীন এবং সাদা রঙের । এ সব ব্যাগের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। দোকান দারেরা পলিথিন ব্যাগ ছাড়া অন্য কোনো ভাবে অন্য কোনো ভাবে ব্যবসা করতে পারছে না। ঐ ব্যবসায়ীরা পরিবেশ বান্ধব কোনো ব্যাগ দোকানে রেখে ব্যবসা করছে না। তারা পলিথিন ছাড়া ব্যবসা করলে দোকানের বিক্রিও কমে যাচ্ছে। এর ফলে বিক্রেতারা আবার পলিথিন ব্যবহার করতে শুরু করেছে। এই দিকে পরিবেশ মন্ত্রী নিজে স্বীকার করেছেন যে, শতকরা ৫০ ভাগ পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার হচ্ছে। কিন্তু দিনাহজপুর জেলার সদর সহ ১৩ টি উপজেলার অসাধু বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা আইনকে অমান্য করে অবৈধ্য ভাবে পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন ও বাজারে তারা সরবরাহ ও ব্যবহার করছে। সরকারের দায়িত্ব কঠোর ভাবে কাজে লাগাতে না পারলে পলিথিন ব্যবহার কোনো ক্রমে বন্ধ হবে না। পরিবেশকে বাঁচাতে হলে প্রথমে পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করা দরকার । তবে সরকার একটু সজাগ হলে তা বন্ধ হবে। সরকার একটু আইন করে পলিথিন ব্যাগের আইন উৎপাদন ও বিক্রির ব্যবহার নিষিদ্ধ করলেও পলিথিন ব্যাগের উৎপাদন কারী দেশের আনাচে-কানাচে কারখানাগুলো বন্ধের ব্যাপারে তেমন কোনো জোড়ালো পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। এর পরে কোনো কোনো কারখানায় পুরো দমে পলিথিন উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। পরিবেশ দূষণ রোধ কল্পে পলিথিন বন্ধের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। কিন্তু প্রশাসনের নেক দৃষ্টি না থাকায় দিনাজপুরের ১৩ টি উপজেলার হাট-বাজার সহ বড় বড় মুদিখানার দোকানগুলিতে পলিথিন ব্যাপক ভাবে বেচাকেনা চলছে। বন্ধ করতে হলে অভিযান চালাতে হবে। পলিথিনের কারণে দিনাজপুরের বিভিন্ন জলাশয় ও রাস্তাঘাটে পলিথিনে ভরে গেছে।
এ ব্যাপারে পরিবেশবাদী ডা. রেজাউল ইসলাম জানান, আমরা অবৈধ পলিথিন উৎপাদন বন্ধ করতে এবং পরিবেশকে রক্ষা করতে পাট জাত জাতীয় ব্যাগ ব্যবহার করা প্রয়োজন মনে করছি। এই পলিথিন পরিবেশকে মারাত্নক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করছে।
এ ব্যাপারে বিভিন্ন মহল, পরিবেশবাদী, ব্যবসায়ীরা অবৈধ পলিথিন উৎপাদন বন্ধ করতে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।





