
বাংলা কিউআরের মাধ্যমে দৈনিক প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা লেনদেন হলে এ ব্যবস্থাকে যুক্তিসংগত অবস্থানে পৌঁছেছে বলে বিবেচনা করা যাবে। তবে বর্তমান অগ্রগতিকে চূড়ান্ত সাফল্য বলার সুযোগ নেই; বাংলা কিউআরের যাত্রায় এখনো অনেক পথ বাকি রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেন, বাংলা কিউআরের পাশাপাশি সরকার ডিজিটাল জনপরিকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। এর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো—ডিজিটাল পরিচয়, ডিজিটাল লেনদেন ও তথ্য বিনিময়।
ডিজিটাল পরিচয়ব্যবস্থায় জন্মের পর একজন নাগরিকের যে পরিচয় তৈরি হবে, তা মৃত্যুর আগপর্যন্ত বহাল থাকবে। অন্যদিকে, তথ্য বিনিময়ব্যবস্থা চালু হলে ব্যাংক হিসাব খোলা, ঋণ নেওয়া কিংবা বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের জন্য মানুষের ছোটাছুটি কমবে। একটি পরিচয় নম্বরের মাধ্যমেই প্রয়োজনীয় সনদ ও তথ্য যাচাই করা সম্ভব হবে।
গভর্নর জানান, ডিজিটাল জনপরিকাঠামো নিয়ে ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টার ঘোষণার পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক একটি উদ্যোগ নিয়েও কাজ চলছে।
বাংলা কিউআরের প্রসারে গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, এ উদ্যোগের প্রচার ও প্রসারে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা করেছে। এর ফলে বাংলা কিউআর নিয়ে শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। গুগল, মেটা ও হুয়াওয়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনার সময়ও এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে।
বাংলা কিউআরকে জনপ্রিয় করে তুলতে গণমাধ্যমের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন গভর্নর।





